জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম – অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ২০২৪

জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম বাংলাদেশী কোন নাগরিকের জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি হবার আগে জন্ম নিবন্ধনই হচ্ছে একজন বাংলাদেশী ব্যক্তির নাগরিকত্বের প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বা প্রমাণপত্র হিসেবে কাজ করে। একজন বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে ব্যক্তির তথ্য আইন অনুসারে সরকারি খাতায় লিপিবদ্ধ করাকে জন্ম নিবন্ধন বলে। ২০২৪ সালের আগে জন্ম নিবন্ধন হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা যেত কিন্তু বর্তমানে ২০১৪ সালের পর থেকে আর হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা যায় না। একজন বাংলাদেশী হিসেবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০২৪ মোতাবেক বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের জন্য অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক সেখানে ইংরেজি এবং বাংলা উভয়ই ভাষাতেই একটি জন্ম নিবন্ধন পত্র তৈরি করা হয়ে থাকে অনলাইনের মাধ্যমে।

Table of Contents

জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম

কিন্তু বর্তমানে নতুন অনলাইনে প্রসেস থেকে কিভাবে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবেন অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় যে সকল কাগজপত্র ব্যবহার করতে হয় সেগুলো অনেকেই আমরা জানিনা। এখানে আপনাদের জানাবো অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে। আমরা আরো জানবো নতুন নিয়মে অনলাইনে আবেদন করার জন্য সরকারি কত ফি নির্ধারিত হয়েছে তা জানবো। জানুন অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করার সঠিক পদ্ধতি সঠিক নিবন্ধন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের ফি।
জন্ম নিবন্ধন যেহেতু জাতীয় পরিচয় পত্রের প্রথম ধাপ সেই ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন পত্র আবেদন করার ক্ষেত্রে নির্ভুল এবং সঠিকভাবে আবেদন করাই শ্রেয়। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করার ক্ষেত্রে কোন কোন ধাপ ভুল হলে সেই সকল ভুল তথ্য দিলে পরবর্তীতে কি কি সমস্যা হতে পারে তা আমরা ব্যক্তি জীবনের অনেকেই সেই দুর্ভোগ পার করেছি। এজন্য অনলাইনে সঠিক নিয়মে জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় বিষয়। আজকে এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা সহজ ও সঠিক নিয়মে এবং অত্যন্ত নির্ভুলভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
1024x576

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন

অনলাইনের মাধ্যমে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য প্রথমেই আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে হবে বাংলাদেশ জন্ম ও মৃত্যু এর ওয়েবসাইট এখানে থেকে জন্ম নিবন্ধনের ঠিকানা নির্বাচন করে দাপতিক্রম করতে হবে। জন্ম নিবন্ধন এর জন্য একটি ফরম সামনে উপস্থিত হবে আম নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধনকারীর নাম জন্মতারিখ পিতা-মাতার নাম এবং প্রয়োজনীয় যে সকল তথ্যপ্রণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেই সকল তথ্য পূরণ করে আবেদনের সাবমিট করতে হবে এবং তিন কপি ই-মেইল পরিষদে অথবা পৌরসভায় অথবা সিটি কর্পোরেশনে  গিয়ে জমা দিতে হবে।
মনে রাখতে হবে যে নাগরিক যেই ইউনিয়ন অথবা পৌরসভা অথবা সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত সেই অনলাইন প্রিন্ট কপি তার নিকটস্থ পরিষদে জমা দিতে হবে।অনলাইনে আবেদন ফরমের মাধ্যমে প্রথমে যে ব্যক্তি নিবন্ধন করবেন সে নিবন্ধনকারী ব্যক্তির ব্যক্তিবর্গ তথ্য যেমন ইংরেজিতে বাংলায় দুই ভাবেই লিখতে হবে। জন্ম তারিখের নিবন্ধনের জন্য যেই বক্স আছে সেই বক্সে জন্ম তারিখ দেওয়ার ফরমেট প্রথমে দিন তারপরে মাছ তারপরে বছর অনুসারে পড়তে হবে। নিবন্ধনকারী ব্যক্তির লিঙ্গ নির্বাচন এবং পিতা-মাতার কততম সন্তান তা বাছাই করতে হবে এবং পরবর্তী থাকে যে জন্মস্থানের ঠিকানা প্রদান করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস করতে হবে।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার উপায়

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন 2004 অনুসারে শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করা সকল নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই আইন অনুসারে। কোন অবাঞ্ছিত কারণে যদি ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করতে সক্ষম না হয় তাহলে শিশুর বয়স পাঁচ বছর হওয়ার পূর্বে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন করার জন্য আবেদন করতে হবে। পাঁচ বছর বয়স অতিক্রম হয়ে গেলে নিবন্ধন করতে আরো অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন এবং বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। সেক্ষেত্রে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০২৪ অনুসারে শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে অতঃপর শিশু জন্মের ৫ বছরের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন আবেদন সম্পন্ন করে ফেলুন।

কেন জন্ম নিবন্ধন করবেন এবং তার প্রয়োজনীয়তা কী?

জন্ম নিবন্ধন আবেদনটি সম্পন্ন করতে হবে এই কারণেই যে একজন বাংলাদেশী ব্যক্তির জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি হওয়ার পূর্বে জন্ম নিবন্ধনই হচ্ছে সেই ব্যক্তির নাগরিকত্ব বহন করে।বাংলাদেশী ব্যক্তি হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য তৈরি হওয়ার পূর্বে জন্ম নিবন্ধন হিসেবে ব্যক্তির একমাত্র পরিচয় পত্র। কোন একজন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি হওয়ার পূর্বে সেই ব্যক্তির সকল তথ্য জন্ম নিবন্ধনে যমাকৃত হয়। এবং এই জন্ম নিবন্ধন থেকে পরবর্তীতে এনআইডি কার্ড অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করা হয়। সেই জন্য জন্ম নিবন্ধন আবেদন জন্ম নিবন্ধনের তথ্য হালনাগাদ সবসময়ই সঠিক ও নির্ভুল হাওয়া উচিত। এজন্য সব সময় ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন করে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

জন্ম নিবন্ধন এর বিভিন্ন ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রয়োজন হয় যেমন অনেকেই আঠারো বছর হলেই বিভিন্ন লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে চান কিন্তু সেই সময় জাতীয় পরিচয় পত্র প্রস্তুত না হওয়ার কারণে সেই সকল লাইসেন্স সেটা ড্রাইভিং হোক কিংবা যে কোন লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে প্রস্তুত করতে পারেন না। আবার ১৮ বছরের পূর্বেই যদি বহির্বিশ্বে গমনের উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হলে জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন হয়। ব্যক্তি জীবনে শিক্ষা জীবন শুরু হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হলেও জন্ম নিবন্ধনের গুরুত্ব অপরিসীম এবং অবিচ্ছেদ। তাছাড়া বিবাহ বন্ধন ডিভোর্স যেই সকল প্রমাণপত্রের প্রয়োজন হয় তার মধ্যে বড় নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সে জন্য জন্ম নিবন্ধন করে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে কি কি প্রয়োজন
উপরের বিস্তারিত থেকে আপনি নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন যে জন্ম নিবন্ধন একজন সুনাগরিকের জন্য কতটা প্রয়োজনীয়। এজন্য নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে কি কি প্রয়োজন কি করতে হবে সকল বিস্তারিত পাবেন এখানে। যে সকল জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গিয়েছে সেক্ষেত্রে আপনাকে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদনের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। সেজন্য যেই সকল কাগজপত্র প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট তা এখানে জানানো হবে।
তবে যে ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা হবে তার বয়সের ভেদ অনুযায়ী কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা ও ভিন্নরকম হতে পারে। নিচে আমরা এই সকল আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে আলোচনা করছি।

আবেদনকারীর বয়স যদি শূন্য থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে হয়

তাহলে যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন হবে তা নিম্নরূপ। একজন সুনাগরিক হিসেবে একজন শিশু জন্মগ্রহণ করলে তার শূন্য থাকে ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করা সব থেকে সচেতনতার লক্ষণ। এক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন হবে বাড়ির ট্যাক্স বা কর পরিষদের রশিদ। আবেদনকারীর পিতা-মাতা বা লিগ্যাল গার্ডিয়ানের সচল মোবাইল নাম্বার। পিতা-মাতা বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ড যেটা বাধ্যতামূলক। এবং ইপিআই বা হাসপাতালে ছাড়পত্র অথবা হাসপাতাল থেকে দেয়া জন্মের রশিদ। পরবর্তীতে পিতা-মাতা বা একজন আইনত অভিভাবকের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ যেটা বাধ্যতামূলক।
এক্ষেত্রে আরেকটা কথা বলে রাখা ভালো যে সকল ব্যক্তির বা পিতামাতা অভিভাবকগণ যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র হাতে লেখা ছিল তাদের নতুন শিশুর অথবা নবাগত শিশুটির জন্ম নিবন্ধন করতে হলে অভিভাবকের জন্ম সনদ অনলাইন ফরম্যাটে হতে হবে।
আবেদনকারীর বয়স যদি ৪৬ তম দিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে হয় সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
ইপিআই কার্ড অথবা হাসপাতাল থেকে দেয়া ছাড়পত্র অথবা জন্ম সনদের রশিদ পরিদর্শন করতে হবে। বাড়ির ট্যাক্স অথবা গড় পরিষদের রশিদ দিতে হবে। আবেদনকারীর পিতা-মাতা বা আইনত অভিভাবকের সচল মোবাইল নাম্বার প্রদান করতে হবে। পিতা-মাতা বা অভিভাবকের অনলাইনে নিবন্ধনকৃত জন্ম সনদ প্রয়োজন যেটা বাধ্যতামূলক। ক্ষেত্রবিশেষে যদি শিশুর বয়স বিদ্যালয়ে পড়ার মতো হয়ে থাকে তাহলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর সহ প্রত্যয়ন পত্র জমা দিতে হবে। পিতামাতা বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান করতে হবে এবং আবেদনকারীর এক কপি সত্য তোলাকৃত রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি প্রয়োজন পড়বে।

আবেদনকারীর বয়স যদি পাঁচ বছরের বেশি হয় সেই ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট। 

যেহেতু সাধারণ নিয়ম এবং ২০০৪ সালের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন অনুসারে শূন্য থেকে ৪৫ দিন অথবা ৪৬ তম দিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত জন্ম সনদ তৈরির আবেদন গ্রহণযোগ্যতার কথা বলা আছে তথাপিও আবেদনকারীর বয়স যদি পাঁচ বছরের বেশি হয় সেক্ষেত্রে ক্ষেত্রবিশেষে এবং প্রয়োজনের স্বার্থে আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে বয়স প্রমাণের জন্য চিকিৎসক কর্তৃক একটি প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হবে যে প্রত্যয়ন পত্রটি বাংলাদেশ মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত এমবিবিএস বা তদার্থ ডিগ্রী দাঁড়িয়ে ব্যক্তির স্বাক্ষরকৃত হতে হবে।
সেই ব্যক্তি যদি কোন জমি অথবা বাড়ি ক্রয়ের দলিল থেকে থাকে সেটা প্রধানের রশিদ দিতে হবে। আবেদনকারী প্রাথমিক শিক্ষা অথবা জুনিয়র সার্টিফিকেট অথবা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত মাধ্যমিক অথবা উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। পিতা-মাতা বা অভিভাবকের স্থায়ী ঠিকানা ও সেই ঠিকানার বাড়ির গড়বারসের পরিশোধকৃত হতে হবে। অভিভাবকের অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক এবং পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র অর্থাৎ এনআইডি কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার পদ্ধতি

Apply Now

যেভাবে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করবেন
জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য প্রথমে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ওয়েব সাইটে গিয়ে জন্ম নিবন্ধনের অফিসিয়াল ওয়েব সাইট করুন এবার পর্যায়ক্রমে ধাপগুলো এক নজরে দেখে নিন।
প্রথম ধাপ: নিবন্ধনকারী ব্যক্তির পরিচিতি।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ওয়েব সাইটে https://bdris.gov.bd/br/application  আসার পরে নিচের চিত্রের মত একটি ইন্টারফেস আসবে। এখানে আপনার ঠিকানা নির্ধারণ করতে হবে।
m1
জন্ম নিবন্ধন আবেদনের ১ম ধাপ

 

যেখানে আপনার সঠিক জন্মস্থান এবং স্থায়ী ঠিকানা আপনার নির্দিষ্ট অনুসারে করুন তারপর পরবর্তীকালে ক্লিক করে পাবেন নিজের চিত্রের মতো ইন্টারফেস।
জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম
জন্ম নিবন্ধন আবেদনের ২য় ধাপ

দ্বিতীয় ধাপ: জন্ম নিবন্ধনের যে অংশ পূরণ করতে হবে।

চিত্রসহ উল্লেখ করে দেওয়া হলো। তারিখে অবশ্যই মনে রাখতে হবে স্টার দেওয়া চিহ্নগুলো পূরণ করা আবশ্যক।
নামে প্রথম অংশটি বাংলায় লেখা প্রয়োজন হবে। নামের শেষ অংশ বাংলায় এক ঘরে নামের শেষ অংশ লিখতে হবে। যদি আপনার নামের অংশটি একটি বক্সেই সম্পূর্ণ করা সম্ভব সেই ক্ষেত্রে শেষের অংশের ঘরে লিখুন। ক্ষেত্রে প্রথম অংশ ফাঁকা থাকবে। অতঃপর পরের বক্সে সঠিক জন্ম তারিখ লিখুন তারপর পিতা-মাতার কততম সন্তান তা লিখে পরবর্তী ঘরে আপনার লিঙ্গ নির্ধারণ করে দিন। আপনার সঠিক জন্মস্থানের ঠিকানা নির্দেশনা অনুযায়ী এবং আবেদনকারীর সামনে থাকা ইন্টারফেসের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলা ও ইংরেজিতে পূরণ করে ফেলুন।
333
জন্ম নিবন্ধন আবেদনের ৩য় ধাপ
সকল অংশ সঠিকভাবে পূরণ করার পরে ইন্টারফেস এর নিচের দিকে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

তৃতীয় ধাপ: আবেদনকারীর পিতা-মাতার অংশ গ্রহণ করুন।

উপরে থাকা ইন্টারফেসের পরে আপনার পিতা-মাতার তথ্য পূরণ করুন এই পর্যায়ে। ঘরে বসে আবেদন করতে পারবেন আপনার জন্ম নিবন্ধন। নিজের তথ্যগুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন
  1. পিতা মাতার জন্ম নিবন্ধনের ১৭ ডিজিটের নম্বর ইনপুট করুন
  2. পিতা মাতার সম্পূর্ণ নাম ইংরেজি এবং বাংলাতে পূরণ করুন
  3. এটা আমার জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার পূরণ করুন
  4. পিতা মাতার জাতীয়তা নির্ধারণ করে সম্পন্ন করুন ধাপটি।
44444444444
জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম
এই অংশে আরো বলে রাখা উত্তম এই যে আপনার জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন করার ক্ষেত্রে আপনার পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থাৎ অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনকৃত হতে হবে।

চতুর্থ ধাপ বর্তমান অস্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে এভাবে আপনাকে অর্থাৎ যিনি জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে চাচ্ছেন তিনি দুটি চেক বক্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসা করা হবে আপনার নির্ধারিত কোন ঠিকানা বর্তমান কিংবা স্থায়ী হিসেবে অতিরিক্ত ভাবে ব্যবহার করতে চান কিনা। চিত্তে থাকা ইন্টারফেস লক্ষ্য করুন।
55
জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম
এভাবে নিম্নে থাকা ইন্টারফেস অনুযায়ী আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা যদি দুই ভাবে হয় তাহলে আপনাকে অবশ্যই নির্ধারিতভাবে দিতে হবে বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা।
জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম
জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম

পঞ্চম ধাপ: জন্ম নিবন্ধনকারীর জন্ম নিবন্ধন প্রত্যয়ন।

আবেদনকারী কি এবার সঠিকভাবে ঘোষণা দিতে হবে যে আপনার জন্ম নিবন্ধন আবেদন পূর্বে আর কোথাও লিপিবদ্ধ হয়নি। এরকম অবস্থায় যদি পূর্বের অন্য কোথাও হয়ে থাকে তাহলে তার জন্য আপনি দায়ী থাকবেন। পরবর্তী ধাপ অনুযায়ী আপনার বয়স ১৮ বছর হলে নিজে সিলেক্ট করুন। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে আপনার বয়স যদি ১৮ বছরের কম হয়ে থাকে তাহলে আইন অনুভব অভিভাবক করবেন এবং সেটা সিলেক্ট করে দিবেন।
জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম
জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম
ষষ্ঠ ধাপ:  এই থাকে এসে আপনাকে জন্ম নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট ছবি তুলে আপলোড করতে হবে। এবং তোমাকে তো সকল ফাইল ১০০ কিলোমিটির নিচে হতে হবে।
8888
জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম
সপ্তম ধাপ: জন্ম নিবন্ধন আবেদনের রিভিউ এবং সাবমিট।
উপরের যথাযথ নিয়ম অনুসারে তথ্য ও সংযোজিত হলে সঠিকভাবে আপলোড করার পরও আপনার জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার সুযোগ থাকবে। কোথাও কোন ত্রুটি বা তথ্যফুল মনে হলে সাবমিট করার পূর্বে সেটা সংশোধন করে সব ঠিক করে নিন। অতঃপর পরবর্তী লেখা বাটনে ক্লিক করুন। জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম
সর্বশেষ পর্যায়ে আপনার আবেদনকৃত তথ্য উপাত্ত সঠিকভাবে ইনপুট করা হলে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন প্রিন্ট করবেন।

সাধারণ ভাবে  জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে যে সকল প্রশ্ন উত্তর পেয়ে থাকি।

প্রশ্ন: সংশোধন করতে কত টাকা লাগবে?
উ:জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে জন্ম তারিখ ছাড়া প্রয়োজন হয় ৫০ টাকা।
প্রশ্ন: জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি কাগজপত্র লাগে?
উত্তর: 45mmX35.mm সাইজের সত্য তোলাকৃত ছবি। এসএসসি অথবা সমমানের সার্টিফিকেট এবং এনআইডি কার্ড অথবা হাসপাতালের জন্ম সংক্রান্ত নথী।
প্রশ্ন: জন্ম নিবন্ধন আবেদন কিভাবে করবো?
উত্তর: কাগজপত্র নিয়ে অনলাইনে উল্লেখিত লিংকে আবেদন করতে হবে।
প্রশ্ন:জন্ম নিবন্ধন কোথায় করতে হয়?
উঃ সিটি কর্পোরেশন অথবা স্থানীয় পৌরসভা কার্যালয় অথবা ইউনিয়ন পরিষদ।